You are currently viewing নিয়মিত দই খাওয়ার ৭ উপকারিতা
দই

নিয়মিত দই খাওয়ার ৭ উপকারিতা

যদি আপনাকে শত শত বছর ধরে খাওয়া হচ্ছে এরকম একটি খাবারের নাম জিজ্ঞেস করা হয় তাহলে আপনি কোন খাবারটির নাম বলবেন? হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন। এর নাম হচ্ছে দই। মানুষ ৪৫০০ বছর ধরে দই প্রস্তুত করছে এবং তা খেয়ে আসছে। দই অত্যন্ত প্রাচীন, পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু খাবারগুলোর মধ্যে একটি এবং এটি নিয়মিত খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভাল। উদাহরণস্বরূপ, দই হৃদরোগ এবং হাড়ক্ষয় রোগের ঝুঁকি হ্রাস করার পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

দই কী?

দই অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দুগ্ধজাত খাবার যা দুধের ব্যাকটেরিয়া গাঁজন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। দই তৈরিতে ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়াদের ‘Yogurt Cultures” বলা হয়। ল্যাক্টোজের গাঁজনের মাধ্যমে ল্যাক্টিক এসিড তৈরি করা হয়, যা দুধের প্রোটিনের ওপর কাজ করে দইয়ের স্বাদ ও এর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ গন্ধ প্রদান করে।

দই

দই কীভাবে তৈরি হয়?

দই সব ধরণের দুধ থেকে তৈরি করা যায়। স্কিম মিল্ক (সর – তোলা দুধ) থেকে যেসব দই তৈরি করা হয় সেগুলোকে ননীবিহীন দই হিসাবে বিবেচনা করা হয়। আর ফুলক্রিম মিল্ক ( সরযুক্ত)  দুধ থেকে তৈরি করা দই ননীযুক্ত দই নামে পরিচত। দই রঙ যোগ না করলে এটি দেখতে সাদা রঙের হয়। দুর্ভাগ্যক্রমে, বেশিরভাগ দইয়ের বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডগুলিতে চিনি এবং কৃত্রিম স্বাদ যুক্ত উপাদান ব্যবহার করা হয়। এই ধরণের দই আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল নয়। অন্যদিকে,  চিনি ছাড়া দই বা টক দই আমাদের অনেক ধরনের স্বাস্থ্য সুবিধা দেয়।

প্রাকৃতিক দই আমাদের অনেক ধরনের স্বাস্থ্য সুবিধা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে ৭টি বিজ্ঞান-ভিত্তিক স্বাস্থ্য সুবিধা নিয়ে আমরা এখানে আলোচনা করব।

  • এটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি খাবারঃ

দইতে আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় প্রায় প্রতিটি পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে যা আমাদের স্বাস্থ্যকর দাঁত এবং হাড়ের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ সরবরাহ করে থাকে। আপনি শুনলে অবাক হবেন, এক কাপ দই খেলে  আমাদের প্রতিদিনের ক্যালসিয়ামের ৪৯% চাহিদা পূরণ হয়। এছাড়া দইয়ে ভিটামিন বি, বিশেষত ভিটামিন বি ১২, ভিটামিন বি ৬ এবং রাইবোফ্লাভিন ও বেশি থাকে। এসব উপাদান হৃদরোগ এবং কিছু স্নায়বিক জন্মগত ত্রুটি থেকে গর্ভস্থ ভ্রূণকে রক্ষা করে।

এক কাপ দই আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ফসফরাসের ৩৮%, ম্যাগনেসিয়ামের ১২% এবং পটাসিয়ামের জন্য ১৮% সরবরাহ করে। এই খনিজগুলি আমাদের দেহের বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ, যেমন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, বিপাক এবং হাড়ের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এতো সব পুষ্টি উপাদান থাকার কারণে দইকে দুধের চাইতেও পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ধরা হয়।

সারাংশ: দই আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে বিশেষত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি এবং Trace elements ।

  • দই আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে পারেঃ

বর্তমান সময়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন ক্যামিকেল ও অন্যান্য উপাদান আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যাবস্থা তথা ইমিউন সিস্টেমকে খুবই দুর্বল করে তুলছে, যা বিজ্ঞানীদের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়মিত প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ দই খাওয়া হলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে হ্রাস করে। প্রোবায়োটিকগুলো অন্ত্রের প্রদাহ কমায়, যা ভাইরাল সংক্রমণের মাধ্যমে অন্ত্রের ব্যাধি থেকে শুরু করে সাধারণ সর্দি/কাশির প্রকোপ হ্রাস করা সহ বেশ কয়েকটি রোগের বিরুদ্ধে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। দইয়ের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পেছনে আংশিকভাবে এর মধ্যে থাকা কিছু খনিজ উপাদান যেমন ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম এবং দস্তার উপস্থিতি দায়ী। ভিটামিন ডি-যুক্ত দই ও পাওয়া যায় যা দইয়েররোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করে তুলতে পারে।

সারাংশঃ দই প্রোবায়োটিক, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান সরবরাহ করে, যেগুলো রোগ প্রতিরোধের মাধ্যমে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এবং বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ার প্রবণতাকে প্রতিরোধ করতে পারে।

  • দই আমাদের হজম শক্তি বাড়াতে পারেঃ

আমরা সারাদিনে নানা ধরনের খাবার খেয়ে থাকি যা আমাদের শরীর সবসময় হজম করে উঠতে পারে না, যার ফলে পেটে নানা রকমের অসুবিধা দেখা দেয়। কিন্তু দই হজম শক্তি বাড়িয়ে আমাদের সেই সমস্যার সমাধান করে। দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি করে। কিন্তু দই পাস্তুরাইজ করা হলে এই সুবিধাটা পাওয়া যায়না, কারণ এ প্রক্রিয়াটি দইয়ের ভিতরে থাকা উপকারী ব্যাকটিরিয়াকে মেরে ফেলে। দইতে বিফিডোব্যাকটিরিয়া এবং ল্যাক্টোব্যাকিলাসের মতো কিছু প্রোবায়োটিকের উপস্থিতি রয়েছে যা অন্ত্রের প্রদাহ যেমন – আইবিএস এর প্রকোপ হ্রাস করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, আইবিএসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়মিত খাঁটি দুধের তৈরি দই (যাতে বিফিডোব্যাকটিরিয়া থাকে) খাওয়ার মাত্র তিন সপ্তাহ পরে, তাদের পেট ফোলা বা পেট ফাঁপা সমস্যা অনেকটা কমেছে এবং ছয় সপ্তাহ পরে রিপোর্ট করা হয়েছে যে এর ফলে তাদের অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে। অন্য একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে বিফিডোব্যাক্টেরিয়াযুক্ত দই হজমজনিত সমস্যা এবং মহিলাদের কিছু মেয়েলি সমস্যা সমাধান করে থাকে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ দই, অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ফলে হওয়া ডায়রিয়া এবং এর পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেও সুরক্ষা দিতে পারে।

সারাংশঃ দইতে প্রোবায়োটিক থাকার কারণে অন্ত্রের রোগ হ্রাস করে যেমন বদহজম, ডায়রিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য।

  • এটি অস্টিওপোরোসিস থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারেঃ

দইতে হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য কিছু মূল পুষ্টি থাকে, যার মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, পটাসিয়াম, ফসফরাস এবং কখনও কখনও ভিটামিন ডি। এই সমস্ত ভিটামিন এবং খনিজ অস্টিওপোরোসিস রোগ প্রতিরোধের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক। গবেষণা দেখা যায় যে দৈনিক টক দই হাড় মজবুত করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মহিলাদের মেনোপজের পরে এবং প্রবীণ ব্যক্তিদের হাড়ের ঘনত্ব কম থাকে এবং হাড়ের ফাটলের ঝুঁকি বেশি থাকে। এদের অস্টিওপোরোসিস রোগ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। যদি তারা নিয়মিত দই গ্রহণ করে তবে তাদের হাড় ক্ষয়ের সমস্যা শুরু হতে বিলম্ব হয়। 

সারাংশঃ দই ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ, যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য মূল ভূমিকা পালন করে। এটি নিয়মিত খেলে অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।

  • এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারেঃ

দইয়ের বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। দইয়ে উচ্চ পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে, যা পেপটাইড ওয়াইওয়াই এবং জিএলপি-১ এর মতো ক্ষুধা হ্রাসকারী হরমোনগুলির মাত্রা বাড়াতে ক্যালসিয়ামের সাথে কাজ করে। এছাড়া দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম দেহের কর্টিসলের ভারসাম্য বজায় রেখে আমাদের স্থুলতার সম্ভাবনা কমায়। তাই বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে দই খাওয়া শরীরের ওজন, শরীরের চর্বি এবং কোমরের পরিধি কমাতে সহায়তা করে। অনেকেই মোটা হওয়ার ভয়ে ননীযুক্ত দই খান না। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে যে, একটি পর্যালোচনাতে দেখা গেছে, ননীযুক্ত দইই বরং স্থূলত্বের প্রকোপ হ্রাস করতে পারে।

সারাংশঃ  দইতে প্রোটিন বেশি থাকে যার ফলে আমাদের ডায়েট সামগ্রিকভাবে উন্নত করতে পারে। এই উভয় দিকই ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

  • দই উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি খাবারঃ

প্রতি ৭ আউন্স বা ২০০ গ্রাম দইয়ে প্রায় ১২ গ্রাম প্রোটিন থাকে। প্রোটিন আমাদের দেহের শক্তির ব্যয় বা আমরা প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালরি সারাদিন পোড়াচ্ছি তার সংখ্যা বাড়িয়ে বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। আমাদের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন পাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি হরমোনের উৎপাদন বৃদ্ধি করে। এটি সামগ্রিকভাবে আমাদের ক্যালোরির সংখ্যাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হ্রাস করতে পারে যা ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য উপকারী। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা দই নিয়মিত খান তারা কম ক্ষুধার্ত থাকেন এবং অন্যান্যদের তুলনায় রাতের খাবারের সময় কম ক্যালোরি গ্রহণ করেন। পেট ভরা আছে এরকম অনুভুতি হওয়ার জন্য তারা উচ্চ ক্যালরিযুক্ত জাংক ফুড কম গ্রহণ করে থাকেন যা তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 

সারাংশঃ দইয়ে প্রোটিনের পরিমাণ খুব বেশি থাকে। এই প্রোটিন ক্ষুধা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সহায়ক।

  • এটি হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীঃ

দইয়ের চর্বিযুক্ত উপাদানগুলির মধ্যে বেশিরভাগ স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, স্বল্প পরিমাণে মনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। পূর্বে যেসব গবেষণা হয়েছিল সেগুলোতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট হৃদরোগের কারণ বলে মনে করা হয়েছিল, তবে বর্তমান গবেষণা দেখাচ্ছে যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট হৃদরোগের কারণ না। তবুও, ফ্যাটবিহীন এবং কম-ফ্যাটযুক্ত বিভিন্ন দই এখনও জনপ্রিয়। দইতে থাকা ফ্যাট আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক এর কোনও সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই। প্রকৃতপক্ষে, এটি হার্টের স্বাস্থ্যের উপকারী। কিছু গবেষণা দেখা গেছে যে, পুরো ননীযুক্ত দই থেকে স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণের ফলে “ভাল” এইচডিএল কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায় যা হৃদরোগের সুরক্ষা দিতে পারে। অন্যান্য গবেষণায় দেখা গেছে, হৃদরোগের সামগ্রিক প্রকোপ হ্রাস করার জন্য দই উপকারী ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া দই উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। উচ্চরক্তচাপ হৃদরোগের জন্য একটি বড় ঝুঁকির কারণ।

সারাংশঃ দই শরীরে “ভাল” এইচডিএল কোলেস্টেরল বাড়িয়ে এবং রক্তচাপ হ্রাস করে বলে একে হৃদরোগের জন্য উপকারী বলে মনে হয়।

দই সবার জন্য নাও হতে পারে

কিছু মানুষ আছেন যারা দই হজম করতে পারেন না। একে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা বা Lactose intolerence বলে। ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা ঘটে যখন শরীরে ল্যাকটেজ নামক এনজাইমের অভাব হয়। এই এনজাইম ল্যাকটোজকে ভেঙে ফেলার জন্য প্রয়োজনীয় একটি এনজাইম। ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা থাকলে এটি দুধজাত খাবার গ্রহণের পরে পেটের ব্যথা এবং ডায়রিয়ার মতো বিভিন্ন পেটের সমস্যা করে থাকে। এরকম যাদের আছে তাদের দই খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক হওয়া দরকার, কারণ এটি তাদের দেহে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

দুধের অ্যালার্জি

দুগ্ধজাত পণ্যগুলোতে কেসিন থাকে যা কিছু লোকের মধ্যে অ্যালার্জি কারণ হয়ে দাড়ায়। এ ক্ষেত্রে, দুধ এমন একটি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে যা সামান্য চুলকানি থেকে শুরু করে প্রাণঘাতী অ্যানাফিল্যাক্সিস পর্যন্ত হতে পারে। এই কারণে, আপনার যদি দুধের অ্যালার্জি থাকে তবে দই খাওয়া এড়িয়ে যাওয়াই বরং ভাল।

সারাংশঃ ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা বা দুধের অ্যালার্জিযুক্তদের জন্য দই এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

দইয়ে যোগ করা চিনি

অনেক ধরণের দইতে প্রচুর পরিমাণে চিনি যোগ করা হয়। অতিরিক্ত চিনি খাওয়া ডায়াবেটিস এবং স্থূলত্বসহ একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। অতএব, মিষ্টি দই এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

 শেষ কথাঃ

দই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি তৃপ্তিকর, সর্বজন সমাদৃত ও সহজলভ্য একটি খাদ্য। এটি নিয়মিত খেলে কিছু রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি হজম, স্বাস্থ্য এবং ওজন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেও আমরা উপকৃত হতে পারি।

Leave a Reply